ইতিহাসের পরিসর

নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - ইতিহাস পরিচিতি | NCTB BOOK
2.5k
Summary

মানুষের সকল কর্মকাণ্ড ইতিহাসের আওতাভুক্ত। মানুষের চিন্তা, পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম অনুযায়ী ইতিহাসের সীমা বিস্তৃত হয়েছে। প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষের কর্মকাণ্ড প্রধানত খাদ্য সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, তাই তখন ইতিহাসও খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল।
কালের বিবর্তনে ইতিহাস চর্চায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হওয়ায় ইতিহাসের শাখা ও সীমানা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনিশ শতকে রাজনীতি ইতিহাসের মূল বিষয় হলেও মার্কসবাদ প্রচারের ফলে অর্থনীতি, সমাজ, এবং শিল্পকলার ইতিহাসও অন্তর্ভুক্ত হতে শুরু করে। ফলে ইতিহাসের পরিধি এবং পরিসর সম্প্রসারিত হচ্ছে।

মানুষ কর্তৃক সম্পাদিত সকল বিষয় ইতিহাসের আওতাভুক্ত। মানুষের চিন্তা-ভাবনা, পরিকল্পনা, কার্যক্রম- যত শাখা-প্রশাখায় বিস্তৃত, ইতিহাসের সীমাও ততদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। যেমন- প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রথম পর্বের মানুষের কর্মকাণ্ড খাদ্য সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে সে সময় ইতিহাসের পরিসরও খাদ্য সংগ্রহমূলক কর্মকাণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। সময়ের বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাস চর্চা ও গবেষণায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসৃত হচ্ছে। ফলে ইতিহাসের শাখা- প্রশাখার সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে, বিস্তৃত হচ্ছে ইতিহাসের সীমানাও। উনিশ শতকে শুধু রাজনীতি ইতিহাসের বিষয় হলেও মার্কসবাদ প্রচারের পর অর্থনীতি, সমাজ, শিল্পকলার ইতিহাসও রচিত হতে থাকে। এভাবে একের পর এক বিষয় ইতিহাসভুক্ত হচ্ছে আর সম্প্রসারিত হচ্ছে ইতিহাসের পরিধি ও পরিসর।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...